crimepatrol24
১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, এখন সময় সন্ধ্যা ৭:২৬ মিনিট
  1. অনুসন্ধানী
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন-আদালত
  6. আঞ্চলিক সংবাদ
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আফ্রিকা
  9. আবহাওয়া বার্তা
  10. আর্কাইভ
  11. ই-পেপার
  12. ইউরোপ
  13. ইংরেজি ভাষা শিক্ষা
  14. উত্তর আমেরিকা
  15. উদ্যোক্তা

বিমান বিধ্বস্তের আগে নিয়ন্ত্রণ কক্ষকে যা বলেছিলেন পাইলট তৌকির

প্রতিবেদক
মো: ইব্রাহিম খলিল
জুলাই ২২, ২০২৫ ১০:২৬ অপরাহ্ণ

 

ক্রাইম পেট্রোল ডিজিটাল ডেস্ক।।
সোমবার তৌকির ইসলাম একটি এফ-৭ প্রশিক্ষণ বিমান নিয়ে ঢাকার কুর্মিটোলা পুরোনো এয়ারফোর্স বেস থেকে উড্ডয়ন করেন। এরপর উত্তরা, দিয়াবাড়ি, বাড্ডা, হাতিরঝিল, রামপুরা এলাকার আকাশে বিমান চালান। একপর্যায়ে উত্তরা এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি টের পান। দ্রুত তিনি নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

সাহায্য চেয়ে তিনি বলেন, ‘বিমান আকাশে ভাসছে না। মনে হচ্ছে বিমান দ্রুত নিচের দিকে পড়ে যাচ্ছে।’

এ সময় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে তাকে দ্রুত ইজেক্ট করতে বলা হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই তিনি বিমানের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এর দেড় মিনিটের মাথায় বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ে আগুন ধরে যায়।

বিমানবাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিমানটি আকাশে রাখার চেষ্টা করেন। এজন্য তিনি সর্বোচ্চ ম্যাক স্পিড তুলে কুর্মিটোলা এয়ার বেসের দিকে ছুটতে থাকেন। কিন্তু কোনো এক অজ্ঞাত কারণে তার সেই চেষ্টা সফল হয়নি। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে কারণ জানতে দীর্ঘমেয়াদি এবং গভীর অনুসন্ধানের প্রয়োজন হতে পারে।

প্রশিক্ষণের শেষধাপে ছিলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম। সোমবার প্রথমবারের মতো কো-পাইলট ছাড়াই আকাশে একা উড্ডয়ন করেন তিনি। কিন্তু এটাই যে তার জীবনের শেষ উড়াল তা কে জানত? অথচ প্রশিক্ষণে তিনি মেধার স্বাক্ষর রাখেন। জটিল বিমান প্রশিক্ষণের বেশ কয়েকটি ধাপ সাফল্যের সঙ্গে উতরে যান। বৈমানিকের চূড়ান্ত সনদ পাওয়ার আগে শেষধাপ হিসাবে শুরু হয়েছিল সলো ফ্লাইট ট্রেনিং। এরপরই ফাইটার জেট ওড়ানোর পালা।

এদিকে তৌকিরের মৃত্যুর খবরে তার গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে আসে। ইতোমধ্যে তার পরিবারের সদস্যদের বিমানবাহিনীর বিশেষ হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। সোমবার বিকালে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দর থেকে তাদের ঢাকায় আনা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার তৌকির প্রথমবারের মতো একা বিমান নিয়ে উড্ডয়ন করছেন-এমন খবরে পরিবারের সদস্যরা উচ্ছ্বসিত ছিলেন। কিন্তু দুপুর না হতেই বজ্রপাতের মতো আসে দুসংবাদ।

স্বজনরা জানান, তৌকির বিমান দুর্ঘটনায় পড়েছে- এমন খবর পেলেও পরিবারের সদস্যদের কেউই জানতেন না তৌকিরের মৃত্যু হয়েছে। তাদের বলা হয়েছিল তৌকির আহত। সিএমএইচে চিকিৎসাধীন। পরে ঢাকায় এসে তারা মৃত্যুর সংবাদ পান। তৌকিরের বাবা আমদানি-রপ্তানি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তার নাম তহুরুল ইসলাম এবং মা সালেহা খাতুন। গ্রামের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে হলেও তৌকিরদের পুরো পরিবার রাজশাহী নগরের উপশহর এলাকায় বসবাস করেন।

তৌকিরের মামা মোতাকাব্বির বলেন, ‘তৌকির রাজশাহীর ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র ছিলেন। সেখানে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখার পর তিনি পাবনা ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হন। পরে তিনি ২০১৭ সালে বিমানবাহিনীতে যোগদান করেন। মাত্র এক বছর আগে বিয়ে করেন তৌকির। তার স্ত্রী একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।’

Share This News:

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত
সুন্দরগঞ্জে ৭ জুয়ারী গ্রেফতার

সুন্দরগঞ্জে ৭ জুয়ারী গ্রেফতার

পঞ্চগড়ে আমার মা ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন 

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত থেকে আরও ৬ জন আটক

ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর ১০ লাখ টাকা ছি’নতাই

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুরের দেশত্যাগে আদালতের নিষেধাজ্ঞা

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টেস্টে নতুন অর্জন বাংলাদেশের

ডোমারে মাদক কারবারী খোকন আটক

বকশিগঞ্জের খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ অধ্যক্ষকে অ’নিয়ম-দু’নীর্তির অভিযোগে শোকজ

ধোবাউড়ায় দুই বছরেও শেষ হয়নি সেতুর নির্মাণ কাজ, চরম দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ

কবি ওমর আলী গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সম্মাননা পদক পেলেন জামালপু‌রের কবি মেহেদী ইকবাল

দিনাজপুরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ করলেন ডিসি