
আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি>>
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের আঘাতে সুধীর চন্দ্র এবং রাধিকা রানী নামে ২ স্বামী স্ত্রী গুরুতর আহত হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬দিন পর সুধীর চন্দ্র মৃত্যুবরণ করেন।
ঘটনাটি ঘটেছে ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভুজারীপাড়া গ্রামে।
পরিবারের তথ্য সুত্রে জানা যায়, উক্ত এলাকার শামসুল হকের ছেলে মশিয়ার রহমানের সাথে প্রতিবেশী মৃত সুরেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে সুধীর চন্দ্রের পারিবারিক বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ৩১মে দুপুরে মশিয়ারের পালিত ছাগল সুধীরের জমিতে বেঁধে রাখাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এ সময় মশিয়ার রহমান ও তার ছেলে ফাহিম, স্ত্রী ফাতেমা বেগম মিলে সুধীর চন্দ্র এবং তার স্ত্রী রাধিকা রানীকে বেধরক মা*রপিট করে। তাদের আঘাতে সুধীর চন্দ্র এবং রাধিকা রানী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের চিকিৎসার জন্য ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ৩দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হলে বাড়ী ফিরে আসে। তবে ভাগ্যের নির্মম পরিহাস চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ই মে রাত ২টায় সুধীর চন্দ্র মৃত্যুবরণ করেন।
এ বিষয়ে ডোমার থানার ওসি (তদন্ত) আজগার আলী ও ইউপি চেয়ারম্যান রশিদুল ইসলাম রোমান ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন। পরে লাশ ময়না তদন্তের জন্য নীলফামারী জেলা মর্গে পাঠানো হয়। তবে পরিবারের দাবী ওই দিনের মারপিটের কারণেই সুধীর চন্দ্রের মৃত্যু হয়েছে। তার মৃত্যুতে স্বজনদের কান্নায় এলাকার বাতাস যেন ভারী হয়ে উঠে। সঠিক তদন্ত করে ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানান সুধীর চন্দ্রের পরিবার।


















