crimepatrol24
১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, এখন সময় রাত ৮:৪৯ মিনিট
  1. অনুসন্ধানী
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন-আদালত
  6. আঞ্চলিক সংবাদ
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আফ্রিকা
  9. আবহাওয়া বার্তা
  10. আর্কাইভ
  11. ই-পেপার
  12. ইউরোপ
  13. ইংরেজি ভাষা শিক্ষা
  14. উত্তর আমেরিকা
  15. উদ্যোক্তা

ঝিনাইদহে সম্পত্তির বিরোধে বাবার লাশ দাফনে সন্তানদের বাধা, ১০ ঘণ্টা পর দাফন!

প্রতিবেদক
মো: ইব্রাহিম খলিল
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৫ ৯:২৭ অপরাহ্ণ

 

ক্রাইম পেট্রোল ডিজিটাল ডেস্ক।।
ঝিনাইদহে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে বাবার মরদেহ দাফনে বাধা দিয়েছে দুই পক্ষের সন্তানরা। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় মৃত্যুর ১০ ঘণ্টা পর মরদেহ দাফন করা হয়।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের কোলা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, শুক্রবার ১০টার দিকে লেদু দেওয়ান (৮০) ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি দুই সংসারের ১০ সন্তান রেখে গেছেন।

জানা যায়, লেদু দেওয়ান দুই বিয়ে করেন। দুই সংসারে তার ১০ জন সন্তান রয়েছে। মৃত্যুর আগে লেদু দেওয়ান সব সম্পত্তি দ্বিতীয় স্ত্রী ও তার সন্তানদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। এ নিয়ে প্রথম সংসারের ৭ সন্তান ও দ্বিতীয় সংসারের ৩ সন্তানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল।

মৃত্যুর পর দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তানরা দাফনের আয়োজন করলে প্রথম স্ত্রীর সন্তানরা সম্পত্তি ভাগ না দেওয়া পর্যন্ত দাফনে বাধা দেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। একপর্যায়ে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবার নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

কাতলামারি পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই ইকবাল হোসেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়। বৈঠকে সমঝোতার ভিত্তিতে দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তানরা প্রথম স্ত্রীর সন্তানদের ৭০ শতক জমি দেওয়ার লিখিত প্রতিশ্রুতি দেন। পরে রাত ৮টার দিকে তার মরদেহ দাফন করা হয়।

প্রয়াত লেদু দেওয়ানের প্রথম স্ত্রীর সন্তানরা অভিযোগ করে বলেন, বাবাকে জিম্মি করে সৎ মা ও তার সন্তানরা সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করে নিয়েছে।

তবে দ্বিতীয় স্ত্রীর সন্তানদের দাবি, লেদু দেওয়ান জীবিত অবস্থায় স্বেচ্ছায় সম্পত্তি দিয়ে গেছেন।

এএসআই ইকবাল হোসেন বলেন, ‘লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় বড় ধরনের অঘটনের শঙ্কা ছিল। স্থানীয়দের সহায়তায় উভয় পক্ষের মধ্যে লিখিত সমঝোতার মাধ্যমে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়।’

Share This News:

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত