
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।।
তাড়াইল উপজেলা বিএনপির দায়ের করা একটি মামলাকে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ দাবি করে তা প্রত্যাহার এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখা।
সোমবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ শহরের এনসিপি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বিএনপির কিছু নেতা নিজ দলের নেতাকর্মী, এনসিপির নেতাকর্মী ও নিরীহ সাধারণ মানুষকে মামলায় জড়িয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন এনসিপি কিশোরগঞ্জ জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ইকরাম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল প্রিন্স, জেলা যুব শক্তির আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান, তাড়াইল উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক সার্জেন্ট মহিউদ্দিন মাসুদ এবং ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক আনাস ইব্রাহিম।
বক্তারা জানান, গত ২৮ অক্টোবর নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের একটি ঝটিকা মিছিলের ঘটনার পর ২৯ অক্টোবর তাড়াইল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইন-২০০৯ এর ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১ ও ১২ ধারায় মামলা করা হয়। ওই মামলায় সাংবাদিক ও জুলাই যোদ্ধা মো. ওমর খান সানি, সাবেক দুইবারের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মবিন, তাড়াইল উপজেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকরাম, ব্যবসায়ী ও বিএনপি সদস্য আলমসহ অনেককে আসামি করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।
এনসিপি কিশোরগঞ্জ জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ইকরাম হোসেন বলেন, “তাড়াইল উপজেলায় বিএনপির নাম ব্যবহার করে একটি মহল হয়রানি-নির্যাতন চালাচ্ছে। মামলায় এমন অনেক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে, যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন।”
তিনি আরও বলেন, “অবিলম্বে এসব হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। পাশাপাশি প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় এনসিপি ও সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি নেতারা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একই সঙ্গে এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বন্ধের আহ্বান জানান।
এ সময় জেলা ও উপজেলা এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং মামলার কয়েকজন ভুক্তভোগী উপস্থিত ছিলেন।















