
রফিকুল ইসলাম : কুষ্টিয়া মিরপুরের মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলন আগামী ২৫ অক্টোবর, ২০১৯ ইং। আকরাম হোসেন মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কান্ডারী ও কর্ণধার। তিনি একাধিকবার মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি। বিরোধী দল যখন ক্ষমতায় ছিল তিনিই মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের হাল ধরে রেখেছিলেন। তার কারণেই মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আজ এই পর্যন্ত পৌঁছিয়েছে। তিনি জননেতা মাহবুবুল আলম হানিফ (এমপি) এর একান্ত নির্ভরযোগ্য ও আস্থাভাজন ব্যক্তি। তিনি মিরপুর উপজেলার সুযোগ্য চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিনের অত্যন্ত কাছের মানুষ।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের হাতকে শক্তিশালী করতে আকরাম হোসেন বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন।
তিনি সব সময় নেতা কর্মীদেরকে সাথে নিয়ে বিভিন্ন প্রকার জনকল্যাণকর ও জনহিতকর কার্যে নিয়োজিত আছেন। তিনি এলাকায় আওয়ামীলীগের হাতকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তিনি একজন স্বচ্ছ ও শিক্ষিত ব্যক্তি। তিনি সব সময় এলাকায় সন্ত্রাস, দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি মোকাবিলায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন। তার জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে কোন কোন অনুপ্রবেশকারী তার বিরুদ্ধে লেগে রয়েছেন। তিনি এলাকার সর্ব সাধারণের কাছে অত্যন্ত সজ্জন ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব। মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের অধিকাংশ নেতাকর্মী তাকে খুব পছন্দ করেন। তিনি আবারও মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হলে আওয়ামীলীগের হাত স্বচ্ছতার সাথে আরও শক্তিশালী হবে। এলাকায় তিনি ভালো মানুষ হিসেবে পরিগণিত হয়েছেন। তার ছোঁয়ায় মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নতুন সুধারায় পরিগণিত হয়েছেন। মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগে কোন অনুপ্রবেশকারী ঢুকে যাতে আওয়ামীলীগের কোন ক্ষতি করতে না পারে এবিষয়ে তিনি সোচ্চার। তার জোরালো পদক্ষেপে মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগে আজ সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে কেউ ষড়যন্ত্র করলে তার মোকাবিলায় তিনি সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি আবারও মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রার্থী। তিনি আবারও মালিহাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতির দায়িত্ব পেলে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আরও নতুন গতিতে শক্তিশালী হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
এবিষয়ে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জননেতা মাহবুব-উল-আলম হানিফ (এমপি) ও মিরপুর উপজেলার সুযোগ্য চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিনের এর সূদৃষ্টি কামনা করেছেন।