
কামরুল হক চৌধুরী বিশেষ প্রতিনিধি :
দাউদকান্দিতে আলোচিত স্কুলছাত্র অটোরিকশা চালক আশরাফুল ‘হত্যার’ ঘটনায় ৩জনকে আটক করেছে র্যাব-১১ এর সদস্যরা। র্যাব অভিযান চালিয়ে তিনজনকে কুমিল্লা, ঢাকা ও নরসিংদী হতে গ্রেফতার করে। তিনজনই অটোরিক্সা ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য বলে নিশ্চিত করেছে র্যাব। গতকাল বুধবার কুমিল্লা র্যাব-১১ এর কার্যালয়ে ব্যাটালিয়ন প্রধান লে: কর্ণেল তানভীর মাহমুদ পাশা সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, আশরাফুল আমিন (১৬) নামে ৮ম শ্রেণির এক ছাত্র অটোরিক্সা চালাতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। আশরাফুল আমিন তিতাস উপজেলার শাহপুর গ্রামের মো: আল আমিনের পুত্র। করোনাকালীন স্কুল বন্ধ থাকায় পরিবারের হাল ধরতে সে অটোরিক্সা চালাতো। গত ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধায় নিখোঁজ হলে ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে দাউদকান্দি থানার গৌরিপুর ইউনিয়নের দৈয়াপাড়া গ্রামের নোমান সাহেবের মাছের প্রজেক্টের পাশে একটি আম গাছের সাথে হাত-পা বাঁধা এবং মুখে স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় আশরাফুলের লাশ পাওয়া যায়। ওই দিন নিহতের বাবা দাউদকান্দি থানায় অজ্ঞাতনামা আসামী করে একটি ‘হত্যা’ মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে আসামীরা পলাতক ছিল। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মিডিয়ায় বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করে। চাঞ্চল্যকর এ ‘হত্যাকাণ্ডের’ বিষয়টি র্যাবের নজরে আসলে র্যাব-১১ হত্যাকাণ্ডটির তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে র্যাবের একটি আভিযানিক দল অপরাধীদেরকে ঢাকা, কুমিল্লা ও নরসিংদী হতে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো দাউদকান্দি উপজেলার সরকারপুর গ্রামের মৃত শফিকুল ইসলামের পুত্র মোঃ সাইদুল ইসলাম (১৯), একই উপজেলার ভুলিরপাড় এলাকার মন্তুস চন্দ্র সাহার পুত্র কিশোর চন্দ্র সাহা (১৮) ও চান্দিনা উপজেলার সাতগাঁও এলাকার আব্দুল হালিমের পুত্র মোঃ রিফাত হোসেন।।