
মোঃ আল আমিন, কিশোরগঞ্জ থেকে।।
কিশোরগঞ্জে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কিশোরগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, সরকারি দপ্তরসমূহের সেবামূলক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়ের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়।
সভায় জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের চলমান কার্যক্রম, বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন প্রকল্প এবং জনসাধারণকে দেওয়া সেবার মান ও অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। এ সময় নির্বাচন অফিস, তথ্য অফিস, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে নিজ নিজ দপ্তরের কার্যক্রম ও অগ্রগতির চিত্র উপস্থাপন করা হয়।
আলোচনায় নির্বাচন ও ভোটারসেবা কার্যক্রম, সরকারি তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, প্রাণিসম্পদ সেবা সম্প্রসারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির যথাযথ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে।
সভায় সরকারি সেবাগুলো আরও সহজে ও দ্রুততার সঙ্গে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আন্তঃদপ্তর সমন্বয় জোরদার, কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, “জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে আরও আন্তরিকতা ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করতে হবে। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনসেবার মান আরও উন্নত করতে হবে।’
তিনি সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচি ও উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যালোচনা এবং কোনো ধরনের সমস্যা বা প্রতিবন্ধকতা দেখা দিলে তা দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ইশতিয়াক ইমন, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, জেলার বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জেলার সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, সরকারি সেবার মান বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশিত সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
















