
পুঠিয়া(রাজশাহী)প্রতিনিধি।।
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার শিবপুর হাট এলাকায় পারিবারিক সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আদালতের সুস্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দ*খল, দোকানঘর ভা*ঙচুর ও মালামাল লু*টপাটের অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বানেশ্বর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মোসাঃ মরিয়ম বেগম।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন এবং সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। কিন্তু প্রতিপক্ষের সাথে চলমান পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি স*ন্ত্রাসী কায়দায় তাদের দোকানঘরে হা*মলা চালানো হয়। এতে দোকানঘর ভেঙে মালামাল লু*টে নেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগীরা জানান, শিবপুর হাটের জে.এল নং–২৩-এর আওতাধীন আরএস খতিয়ান নং ১১৯, দাগ নং ১২২ ও ১৩৫ এর মোট ০.৩০৪১ একর ইয়াকুব আলী, ইউনুছ আলী ও ইয়াহিয়া নামে তিন ভাইয়ের নামে রেকর্ডভুক্ত ছিল। পরবর্তীতে ইয়াকুব ও ইয়াহিয়া তাদের অংশ বিক্রি করলে ইউনুছ আলী ০.০২৭৫ একর জমি ক্রয় করে নিজের মালিকানায় নেন। এছাড়া, আরএস দাগ নং ১৩৫ এর ০.২৪ একর জমির একক মালিক ছিলেন ইউনুছ আলী। তিনি মৃত্যুবরণ করলে উক্ত ০.৩০৪১ একর জমি তার ওয়ারিশগণের নামে আসে। যা বর্তমানে তার ওয়ারিশদের দখলে রয়েছে। বহু বছর ধরে তারা উক্ত জমি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন এবং সেখানে দোকানঘর নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
তারা অভিযোগ করেন, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে জমি দখলের পাঁয়তারা করছে। এমনকি আদালতে মামলা চলমান এবং স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ (মোকদ্দমা নং-১১৪৪পি/২৫, ফৌঃকাঃবিঃ ১৪৪/১৪৫ ধারা, প্রসেস নং- ২২০৮, তারিখ ১৮/১২/২৫ইং) থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে হামলা চালায় এবং দোকানঘর ভাঙচুর করে মালামাল লুটে নেয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আদালতে মামলা চলমান থাকা ও নিষেধাজ্ঞা জারি থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রকাশ্যে জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।
পরিবারটি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন এবং জানমাল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেন তারা।















