crimepatrol24
, এখন সময় মিনিট
  1. অনুসন্ধানী
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন-আদালত
  6. আঞ্চলিক সংবাদ
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আফ্রিকা
  9. আবহাওয়া বার্তা
  10. আর্কাইভ
  11. ই-পেপার
  12. ইউরোপ
  13. ইংরেজি ভাষা শিক্ষা
  14. উত্তর আমেরিকা
  15. উদ্যোক্তা

দুদকের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো জিয়াউল আহসানকে

প্রতিবেদক
মো: ইব্রাহিম খলিল
জানুয়ারি ৭, ২০২৬ ৮:৪৯ অপরাহ্ণ

ক্রাইম পেট্রোল ডিজিটাল ডেস্ক।।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দু*র্নীতি, অ*বৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলায় বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। একই মামলার আসামি জিয়াউল আহসানের স্ত্রী নুসরাত জাহানও।

ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়-ঢাকা-১-এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

দুদক জানায়, সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদনের পর মামলাটির তদন্ত শুরু হয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে জিয়াউল আহসানকে শোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন করা হলে ঢাকা মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ তা মঞ্জুর করেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, বাদীর টাইপকৃত এজাহার ২৩ জানুয়ারি ২০২৫ বিকেল ৪টায় গ্রহণ করে সজেকা, ঢাকা-১-এর মামলা নম্বর ৭৬ হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। মামলাটি দায়ের করা হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১০৯ ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জিয়াউল আহসান বিভিন্ন অবৈধ পন্থায় দুর্নীতির মাধ্যমে নিজ নামে ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। পাশাপাশি ফরেন এক্সচেঞ্জ গাইডলাইন লঙ্ঘন করে নিজের হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা দেন, যা অনুমোদিত সীমার অনেক বেশি।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে, জিয়াউল আহসানের নামে থাকা আটটি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এসব অর্থ তার স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছে।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯১-৯২ অর্থবছর থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত জিয়াউল আহসানের বৈধ আয় ছিল প্রায় ৬ কোটি ৩১ লাখ টাকা। অথচ তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ, ব্যয় ও দায় বিবেচনায় জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ কোটি ২৭ লাখ টাকার বেশি।

তদন্তে আরও দেখা যায়, তার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে বিপুল অঙ্কের অর্থ জমা ও উত্তোলন করা হয়েছে। তার বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত একটি এতিমখানার ব্যাংক হিসাবেও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ফান্ড থেকে কোটি কোটি টাকা উত্তোলনের বিষয়টিও তদন্তাধীন রয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, তদন্তকালে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে সেগুলোও খতিয়ে দেখা হবে। মামলার ঘটনাস্থল হিসেবে ঢাকা, বরিশাল ও নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থান উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সময়কাল ধরা হয়েছে ১৯৯১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

Share This News:

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত
সুন্দরগঞ্জে ৭ জুয়ারী গ্রেফতার

সুন্দরগঞ্জে ৭ জুয়ারী গ্রেফতার

চাঁ*দা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে কু*পিয়ে হ*ত্যা, ইউপি সদস্য আটক

চুয়াডাঙ্গা কুতুবপুর ইউনিয়নের যুবলীগের সিনিয়র সভাপতি মিলনের নেতৃত্বে জীবনা গ্রাম লকডাউন

ডোমারে ল্যাম্বের শ্রেষ্ঠ কর্মী ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান

নীলফামারীতে মিনা হত্যার লোমহর্ষক রহস্য উদঘাটন

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে ঝিনাইদহে কৃষকদের স্বপ্ন এখন পানির নিচে

পঞ্চগড়ের ১০ ইউনিয়নে ৭টিতে নৌকার জয় ও ৩ টিতে স্বতন্ত্র

জামালপুরে আরও ১৩জন করোনায় আক্রান্ত সর্বমোট শনাক্ত ৩৩৫

ঝিনাইদহে নবাগত অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের যোগদান

আজ থেকেই অপরাধী ও স*ন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করতে চিরুনি অভিযান শুরু : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ঝিনাইদহে প্রয়াত বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলাম স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল