crimepatrol24
১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, এখন সময় দুপুর ২:১১ মিনিট
  1. অনুসন্ধানী
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন-আদালত
  6. আঞ্চলিক সংবাদ
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আফ্রিকা
  9. আবহাওয়া বার্তা
  10. আর্কাইভ
  11. ই-পেপার
  12. ইউরোপ
  13. ইংরেজি ভাষা শিক্ষা
  14. উত্তর আমেরিকা
  15. উদ্যোক্তা

কিশোরগঞ্জে হাওরে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে খুশি কৃষকরা

প্রতিবেদক
মো: ইব্রাহিম খলিল
মার্চ ২৪, ২০২৫ ৭:১৩ অপরাহ্ণ

 

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।।
কিশোরগঞ্জের হাওরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিলো ঝুঁকিপূর্ণ টেকসই বেড়িবাঁধের। এক সময়ের এই অরক্ষিত হাওরে উজানের পানি ও অসময়ে বন্যায় ফসল তলিয়ে যেত। ফলে কৃষকের কষ্টের সীমা ছিলো না। তাই এ বছর হাওর এলাকাগুলোতে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে খুশি কৃষকরা।

জানা যায়, কিশোরগঞ্জের ৯টি উপজেলায় প্রায় ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ ১২৯টি ফসল রক্ষা বাঁধ মেরামত করা হচ্ছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, হাওরের বেড়িবাঁধগুলো গত বছরের ন্যায় এ বছর অনেক মজবুত এবং টেকসই হয়েছে, তবে মিঠামইন উপজেলায়  দু’একটি ছাড়া সবগুলো বেড়িবাঁধ কোন রকম দায়সারাভাবে কাজ করে সমাপ্ত করেছে। এরমধ্যে কিছু আছে পুরনো বাঁধের মাটি দিয়ে নির্মাণ করেছে নতুন বাঁধ। তুলনামূলকভাবে উচ্চতাও অনেক কম। কোনটিতে ঘাস নেই আবার অনেক জায়গায় ঘাস থাকলেও পরিচর্যার অভাবে মারা গেছে। নিয়ম অনুযায়ী বাঁধের ১০-১৫ ফুট দূরত্ব থেকে মাটি কাটার কথা থাকলেও পুরনো বাঁধের মাটি দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, হাওরের ফসল রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে নির্মিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে ৯টি উপজেলায় ২৩ কোটি টাকা ব্যায় প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ১২৯টি ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। এতে করে অকাল বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাবে বিস্তীর্ণ এলাকার বোরো ধান।

সূত্রে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জে ৯টি উপজেলায় হাওরে প্রায় প্রতি বছর উজান থেকে আসা পানিতে তলিয়ে যায়। এতে করে একমাত্র বোরো ফসল হারিয়ে কপাল পুড়ে এলাকার হাজারো কৃষকের। এলাকার কৃষকরা সারাবছর অর্থকষ্টে ভোগেন। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিন দাবি ছিল বড় হাওরে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ। এতে করে হাওড়ের একমাত্র বোরো ফসলডুবির আর শঙ্কা থাকবে না। তাই বিগত বছরের কথা বিবেচনা করে এ বছর টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণে হাওরের কৃষকরা সাধুবাদ জানিয়েছেন।

করিমগঞ্জ উপজেলার চংনোয়াগাঁও কৃষক মো: মুজাহিদ মিয়া ও সাইফুল ইসলাম বাদল বলেন, ‘সব জায়গার বেড়িবাঁধই মোটামুটি ভাল কিন্তু চং নোয়াগাঁও মৌজার বেরিবাঁধ সবচেয়ে ভাল হয়েছে। এরশাদ ভাই নিচে দাঁড়াই থাইকা সবসময় কাজ করাইছে। আমরা এ বছর অনেক জায়গার রেড়িবাঁধ দেখছি। গত বছর অনেক হেয়তা আছিল। গত বছরের তুলনায় এবছর রাস্তা অনেক উঁচু হয়েছে। আমরা অনেক খুশি।’

নিকলী উপজেলার শিংপুর ইউনিয়নের কৃষক মো: আল-আমিন মিয়া ও মো: মল্লিক মিয়া বলেন, ‘গত বারের তুলনায় এবারের বেরিবাধ উন্নত, মজবুত অনেক শক্ত করে করছে এবং উুঁচু হয়েছে। দুই বছর আগে যে বেরিবাঁধগুলো করেছে তার চেয়ে এবার ভাল হয়েছে। কোন কমপ্লেইন নেই। এ ধরণের রেরিবাধ পেয়ে আমরা খুশি।’

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘প্রতিবছরই বাঁধ নির্মাণে কৃষকদের কিছু অভিযোগ থাকে। তাই এবছর বাঁধ নির্মাণ কাজ সার্বক্ষণিক তদারকি করা হয়েছে। কাজে ত্রুটি বিচ্যুতি থাকতেই পারে। যেখানে ত্রুটির অভিযোগ পাবো সেখানে সাথে সাথে সমাধান করা হবে। আশা করি, এ বছর কৃষকরা নির্বিঘ্নে ফসল ঘরে তুলতে পারবে।’

Share This News:

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত
সুন্দরগঞ্জে ৭ জুয়ারী গ্রেফতার

সুন্দরগঞ্জে ৭ জুয়ারী গ্রেফতার

পঞ্চগড় থেকে পদ্মা নদী পর্যন্ত নৌ যোগাযোগ যুক্ত করতে চাই : নৌ প্রতিমন্ত্রী

রংপুরে জাসদ-এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন ও আনন্দ র‍্যালি

খুলনায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত

কেএমপি’র অভিযানে মাদকসহ ৩ ব্যবসায়ী গ্রেফতার

পাবনায় ইউএনওকে সাঁথিয়া প্রেস ক্লাবের বিদায় সম্মাননা প্রদান

কেএমপি’র মাদক বিরোধী অভিযানে মাদকসহ ৩ ব্যবসায়ী গ্রেফতার

চিলাহাটিতে টিকিট কালোবাজারি প্রতিহত করতে গিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীরা লাঞ্ছিত

ঝিনাইদহে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা,বৃত্তির অর্থ ও সনদপত্র বিতরণ

বরাদ্দ দেওয়া বাসায় না থাকলে বাড়ি ভাড়া বাতিলের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ঝিনাইদহে ৩’শ পরিবারের মাঝে সংসদ সদস্য’র খাদ্যসামগ্রী বিতরণ