crimepatrol24
৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, এখন সময় বিকাল ৫:১৭ মিনিট
  1. অনুসন্ধানী
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন-আদালত
  6. আঞ্চলিক সংবাদ
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আফ্রিকা
  9. আবহাওয়া বার্তা
  10. আর্কাইভ
  11. ইউরোপ
  12. ইংরেজি ভাষা শিক্ষা
  13. উত্তর আমেরিকা
  14. উদ্যোক্তা
  15. এশিয়া

১ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বাঘ শুমারি

প্রতিবেদক
মো: ইব্রাহিম খলিল
ডিসেম্বর ২০, ২০২২ ৯:৫৬ অপরাহ্ণ
১ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বাঘ শুমারি

 

 

ডেস্ক রিপোর্ট :

অর্থ বরাদ্দ নিয়ে জটিলতার অবসানের পর অবশেষে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে শুরু হয়েছে বাঘ শুমারি কার্যক্রম। প্রাথমিকভাবে বনের মধ্যে খালের দুই পাশে জরিপ করে বাঘের গতিবিধি ও পায়ের ছাপ লক্ষ্য করার কাজ শুরু করেছে বনবিভাগ।

গত ১৫ ডিসেম্বর সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের খুলনা রেঞ্জের কালাবগি ফরেস্ট স্টেশনের আওতাধীন খালগুলোর দুই পাশে ওই কার্যক্রম শুরু হয়। আগামী ১ জানুয়ারি থেকে বাঘ শুমারি বা গণনার জন্য সুন্দরবনে স্থাপন করা হবে ৬৬৫টি ক্যামেরা। বাঘ গণনার ফলাফল জানা যাবে ১৫ মাস পর।

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও সুন্দরবন বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্প পরিচালক আবু নাসের মো. মোহসিন হোসেন জানান, ‘প্রথম পর্যায়ে খাল সার্ভের মাধ্যমে বাঘের পাগমার্ক বা পায়ের ছাপ দেখা হচ্ছে। এই খাল সার্ভে করা হবে গোটা সুন্দরবনে। এরপর আগামী ১ জানুয়ারি থেকে সুন্দরবনে ৬৬৫টি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা রেঞ্জে ২০০টি, খুলনা রেঞ্জে ১৪০টি, শরণখোলা রেঞ্জে ১৮০টি ও চাঁদপাই রেঞ্জে ১৪৫টি। এই ক্যামেরাগুলো দিয়ে ৩ মাস বাঘ গণনা করা হবে।’

তিনি জানান, ‘পরবর্তী ধাপে ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ৩ মাস আবারও ক্যামেরা ট্রাপিংয়ের মাধ্যমে বাঘ শুমারি বা গণনা করা হবে। বাঘ শুমারির ফলাফল প্রকাশ করা হবে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে।’

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত অক্টোবর মাস থেকে বাঘ গণনার কাজ শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পের অর্থ ছাড় নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। পরে অক্টোবরে ৩ কোটি ২১ লাখ টাকা ছাড় দেয় পরিকল্পনা কমিশন। সম্প্রতি দুই কিস্তিতে ১ কোটি ২১ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

বন বিভাগ জানায়, বাঘের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ ও সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণের জন্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গত ২৩ মার্চ ‘সুন্দরবনের বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্প’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ৩৫ কোটি ৯৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এর মধ্যে শুধুমাত্র বাঘ শুমারি খাতে ব্যয় ধরা হয় ৩ কোটি ২১ লাখ টাকা। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত।

প্রকল্প পরিচালক আবু নাসের মো. মোহসিন হোসেন জানান, ‘সুন্দরবনের অভয়ারণ্য ও অভয়ারণ্য এলাকার বাইরে ওই বাঘ শুমারি করা হবে। বনের কম লবণাক্ত, মধ্যম লবণাক্ত ও বেশি লবণাক্ত সব এলাকাই জরিপের আওতায় আসবে।’

বন বিভাগ জানায়, প্রকল্পটির আওতায় আরও প্রায় ৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে বেশ কয়েকটি কার্যক্রম রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বাঘের শিকার প্রাণী হরিণ ও শুকর শুমারি, বনের এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় বাঘ স্থানান্তর, অন্তত দুটি বাঘে স্যাটেলাইট কলার স্থাপনের মাধ্যমে বাঘের গতিবিধি মনিটরিংয়ের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকল্পটির কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে সুন্দরবনের বাঘ-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে ৪৯টি ভিলেজ টাইগার রেন্সপন্স টিমের ৩৪০ জন সদস্য ও ৪টি রেঞ্জের কমিউনিটি পেট্রোল গ্রুপের ১৮৫ জন সদস্যকে প্রশিক্ষণ প্রদান, তাদের পোশাক সরবরাহ ও প্রতি মাসে বন কর্মীদের সঙ্গে মাসিক সভা করা।

খুলনা সার্কেলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো জানান, ‘প্রকল্পের আওতায় বনের যে এলাকায় বাঘ বেশি রয়েছে সেখান থেকে কয়েকটি বাঘ অন্য যে এলাকায় বাঘ কম রয়েছে সেখানে স্থানান্তর করা হবে। বাঘের পরজীবীর সংক্রমণ ও অন্যান্য রোগব্যাধি এবং মাত্রা নির্ণয় করা হবে।’

তিনি জানান, ‘বাঘের আবাসস্থল সুন্দরবন প্রায় প্রতিবছর আগুন লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শুষ্ক মৌসুমে সুন্দরবনের যে অংশে আগুন লাগার প্রবণতা বেশি, সে জায়গায় দুটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার নির্মাণ ও সুন্দরবনে আগুন লাগলে যাতে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নেভানো যায় সেজন্য আগুন নেভানোর যন্ত্রপাতি, পাইপ ও ড্রোন ক্রয় করা হবে।

সুন্দরবনে বাঘ-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় নদী ও খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় বাঘ গ্রামে প্রবেশ করে জানমালের নিরাপত্তা হুমকি হয়ে থাকে। ওই ৬০ কিলোমিটার অংশে নাইলনের ফেন্সিং নির্মাণ করে বাঘ মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

সুন্দরবনে ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর, ২০০৯ সালে আইলা ও ২০২১ সালে ইয়াসের মতো বড় বড় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে বনের সমস্ত এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। তখন বনের বাঘ ও বাঘের শিকার প্রাণি আশ্রয়ের জন্য লোকালয়ে প্রবেশ করে। বাঘ ও বাঘের শিকার প্রাণি ঘূর্ণিঝড়ের সময় আশ্রয়ের জন্য সুন্দরবনে ১২টি মাটির কিল্লা স্থাপন করা হবে এ প্রকল্পের মাধ্যমে।’

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের জরিপ অনুযায়ী সুন্দরবনের বাঘের সংখ্যা ১১৪ টি, যা ২০১৫ সালে ছিল ১০৬ টি।

Share This News:

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত
সুন্দরগঞ্জে ৭ জুয়ারী গ্রেফতার

সুন্দরগঞ্জে ৭ জুয়ারী গ্রেফতার

দাউদকান্দিতে র‌্যাবের হাতে ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার২

চিলাহাটিতে আপত্তিকর অবস্থায় ক্লিনিকের ম্যানেজার জাহিদ আটক

খুটাখালীতে পুরাতন পরিষদের জায়গা দখলে নিয়ে চলছে ব্যবসা, দেখার কেউ নেই!

হরিণাকুন্ডুতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

জামালপুরে ইট ভাটার বিরুদ্ধে অভিযান, ২৪ লাখ টাকা জরিমানা

নাসিরনগরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

দেশজুড়ে প্রায় ৭ থেকে ৮ শত আয়নাঘর আছে: প্রধান উপদেষ্টা

হোমনায় টিউলিপ প্রশাসন ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে ইউএনও তাপ্তি চাকমার বিদায় সংবর্ধনা

ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠিত

হরিনাকুন্ডুতে সঞ্জয় ট্রাস্টের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ