crimepatrol24
৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, এখন সময় বিকাল ৫:৪৫ মিনিট
  1. অনুসন্ধানী
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন-আদালত
  6. আঞ্চলিক সংবাদ
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আফ্রিকা
  9. আবহাওয়া বার্তা
  10. আর্কাইভ
  11. ইউরোপ
  12. ইংরেজি ভাষা শিক্ষা
  13. উত্তর আমেরিকা
  14. উদ্যোক্তা
  15. এশিয়া

কিশোরগঞ্জের তারাইলে অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই

প্রতিবেদক
মো: ইব্রাহিম খলিল
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২ ৮:৪০ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের তারাইলে অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই

 

দিলীপ কুমার দাস, জেলাপ্রতিনিধি, ময়মনসিংহঃ  কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় স্কুল ও মাদরাসা মিলিয়ে ১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনোটিতে অস্থায়ীভাবে শহীদ মিনার বানিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। আবার কোনো প্রতিষ্ঠানে দিবসটি পালনই করা হয় না।

উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ৭১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১টি কলেজ ও ৬টি মাদরাসা রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে ২৪টি কিন্ডারগার্টেন।

আরো জানা গেছে, তাড়াইল আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভেরনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিমুলআটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সহিলাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সড়কঘাটা শিশু কিশোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১টি দাখিল ও ৫টি আলিম মাদরাসা কোনোটিতেই শহীদ মিনার নেই।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এলে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অস্থায়ীভাবে শহীদ মিনার বানিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হয়। কোনো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না বানিয়ে শুধু আলোচনা সভা বা মিলাদ মাহফিল করে দিবসটি পালন করা হয়। আবার কিছু প্রতিষ্ঠানে তা-ও করা হয় না।

তাড়াইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ে ভূমি স্বল্পতার কারণে শহীদ মিনার করা যাচ্ছে না।

তালজাঙ্গা ইউনিয়ন আলিম মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, অর্থের অভাবে প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী শহীদ মিনার তৈরি করতে পারছি না। তাই একুশে ফেব্রুয়ারি এলে স্কুলের মাঠে অস্থায়ী শহীদ মিনার বানিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই ঐ সমস্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, একুশে ফেব্রয়ারির দিন স্কুল ছুটি থাকে। স্যারেরা কলাগাছ দিয়া শহীদ মিনার বানায়। আমরা সকালে ঘুম থেকে উঠে ফুল দেই।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম গোলাম কিবরিয়া ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা সুলতানা বলেন, শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য প্রতিটি স্কুল, মাদরাসার প্রধান শিক্ষকদের সাথে কথা হয়েছে। অতিদ্রুত ব্যবস্থা করা হবে।

Share This News:

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত