crimepatrol24
, এখন সময় মিনিট
  1. অনুসন্ধানী
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইটি বিশ্ব
  5. আইন-আদালত
  6. আঞ্চলিক সংবাদ
  7. আন্তর্জাতিক
  8. আফ্রিকা
  9. আবহাওয়া বার্তা
  10. আর্কাইভ
  11. ই-পেপার
  12. ইউরোপ
  13. ইংরেজি ভাষা শিক্ষা
  14. উত্তর আমেরিকা
  15. উদ্যোক্তা

দুদকের মামলায় ডিআইজি মিজানের ১৪ বছর কা’রাদণ্ড

প্রতিবেদক
মো: ইব্রাহিম খলিল
জুন ২২, ২০২৩ ৯:১২ অপরাহ্ণ

 

ক্রাইম পেট্রোল ডেস্ক:
অ’বৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দু’র্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাময়িক বরখাস্ত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় মিজানের ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান, ভাগনে মাহমুদুল হাসান ও স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্নার সাত বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে মিজানুর রহমানের দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সব সম্পদ (স্থাবর-অস্থাবর) রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং তা আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রয়েছেন। জামিনে রয়েছেন তার ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগনে মাহমুদুল হাসান। তবে মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না শুরু থেকে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

রায়ে বলা হয়, সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের সব সাজা একত্রে চলবে। আসামিদের হাজতবাস মূল দণ্ডাদেশ থেকে বাদ যাবে।

রায়ে বলা হয়েছে, দু’র্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় আসামি মো. মিজানুর রহমানকে তিন বছর সশ্রম কা’রাদণ্ড, একই আইনের ২৭(১) ধারায় ছয় বছর সশ্রম কা’রাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অ’র্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কা’রাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২), ৪(৩) ধারাসহ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মিজানুরকে পাঁচ বছরের কা’রাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দু’র্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় সোহেলিয়া আনার রত্না, মাহবুর রহমান ও মো. মাহামুদুল হাসানকে তিন বছরের সশ্রম কা’রাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অ’র্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কা’রাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২), ৪(৩) ধারাসহ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় আসামি সোহেলিয়া আনার রত্না, মো. মাহবুবুর রহমান ও মো. মাহামুদুল হাসানের চার বছরের সশ্রম কা’রাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া দু’র্নীতির মাধ্যমে সব আসামির অর্জিত ও গোপনকৃত সম্পদ তিন কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার পাঁচ টাকার দ্বিগুণ অর্থাৎ ছয় কোটি ৫৭ লাখ ৩৬ হাজার ১০ টাকা অ’র্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কা’রাদণ্ড দেওয়া হয়। গত ৫ জুন একই আদালত রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২১ জুন দিন ধার্য করেন।

মিজানুর রহমান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অ’পব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেফতার করানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া এক সংবাদপাঠিকাকে প্রা’ণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়। নারী নি’র্যাতনের অভিযোগে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

এরপর দুদক কর্মকর্তার সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি সামনে আসার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ডিআইজি মিজানকে সাময়িক বরখাস্তের একটি প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। ওই বছরের ২৫ জুন সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দেন রাষ্ট্রপতি।

২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের (ঢাকা-১) পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে তিন কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অ’বৈধ সম্পদ অর্জন এবং তিন কোটি সাত লাখ পাঁচ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। ওই চারজনের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের ৩০ জানুয়ারি অভিযোগপত্র দাখিল করেন এই দুদক কর্মকর্তা।

২০২০ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আসিফুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৭ জন সাক্ষ্য দেন।

২০২২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে মিজানকে তিন বছর ও আব্দুল বাছিরকে ৮ বছরের কা’রাদণ্ডের আদেশ দেন ঢাকার তৎকালীন বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

মিজানের রায়ে বিচারক বলেন, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১৬৫(এ) ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। দুই ধারার অপরাধ একই ধরনের হওয়ায় তাকে একটি ধারায় অর্থাৎ ১৬৫(এ) ধারায় তিন বছরের কা’রাদণ্ড দেওয়া হলো।

বাছিরের রায়ে বিচারক বলেন, ‘বাছিরের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১৬১ ধারা, মানি লন্ডারিং আইন ও দুদক আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তাকে মানি লন্ডারিং আইনে পাঁচ বছরের কা’রাদণ্ড ও ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় তিন বছরের কা’রাদণ্ড দেওয়া হলো। উভয় সাজা একসঙ্গে চলবে।

২০১৯ সালের ১১ জুলাই শাহবাগ থানা পুলিশ এই মামলায় ডিআইজি মিজানকে গ্রে’ফতার করে। গ্রে’ফতার এড়াতে উচ্চ আদালতে আগাম জামিন আবেদন করেন তিনি। জামিন আবেদন খারিজ করে তাকে গ্রে’ফতারের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। গ্রে’ফতারের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাকে ঢাকা মহানগর দায়রা ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতে হাজির করতে বলা হয়।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ ২০১৯ সালের ১০ জুলাই বিকালে ডিআইজি মিজানুর রহমানের উপস্থিতিতে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। শুনানির একপর্যায়ে বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক বলেন, ‘সে (ডিআইজি মিজান) পুলিশের ভাবমূর্তি পুরোপুরি নষ্ট করেছে। আমরা টিভিতে দেখেছি, (দুদকের একজন পরিচালককে) ঘুষ দেওয়ার ব্যাপারে সে ডেসপারেট বক্তব্য দিয়েছে।’

২০১৯ সালের ২২ জুলাই এই মামলায় গ্রে’ফতার হন দুদকের বরখাস্ত পরিচালক আব্দুল বাছির। গ্রে’ফতারের প্রায় চার বছর পর অবৈধ সম্পদ অর্জনের এই মামলায় রায় ঘোষণা করা হলো।

Share This News:

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত
সুন্দরগঞ্জে ৭ জুয়ারী গ্রেফতার

সুন্দরগঞ্জে ৭ জুয়ারী গ্রেফতার

ডোমারে ২ জুয়াড়ি আটক, থানায় মামলা

কেএমপি’র গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে মা-দ-ক ও মাইক্রোবাসসহ গ্রেফতার ১

কিশোরগঞ্জ জমে উঠেছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা

খুলনা মহানগর পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে মাদকসহ ৪ ব্যবসায়ী গ্রেফতার

হোমনা পৌরসভা নির্বাচন আ’লীগ ও বিএনপির একক প্রার্থীসহ মেয়র পদে-০৩, কাউন্সিলর পদে-৪০ ও সংরক্ষিত পদে-১২জনের মনোনয়নপত্র দাখিল

শৈলকুপায় নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলন, ভাঙ্গনের কবলে বসতভিটা

ঝিনাইদহে সিও এবং এনআরবিসি ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ

পটুয়াখালীর গলাচিপায় সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা

ঝিনাইদহে ১০ হাজার কর্মহীন পরিবারের মাঝে এমপির উপহার বিতরণ

জামালপুরে ১৯৭পিস ইয়াবাসহ দু’জনকে আটক করেছে বিজিবি