
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি >>
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডুতে একের পর এক বেড়েই চলেছে চুরির ঘটনা। চোর আতংকে আতংকিত হরিণাকুন্ডুবাসী। বিশেষ করে উপজেলা ও পৌরবাসীর রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে সংঘবদ্ধ চোরচক্র। এরই মধ্যে প্রায় শতাধিক মোটরসাইকেল চুরি হলেও সব চোরের নাগাল পায়রি পুলিশ। এছাড়া প্রায়ই চুরির ঘটনা ঘটছে। থানায় মামলা বা জিডি করেও প্রতিকার মিলছে না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সম্প্রতি পৌর এলাকায় দিনে দুপুরে ও গভীর রাতে বেশ কয়েকটি বাড়ীতে অভিনব কায়দায় গ্রীল ভেঙ্গে চুরির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বানাথ সাধুখাঁর ডিসকোভার মোটরসাইকেল দোকানের সামনে থেকে দিনে দুপুরে চুরি করে নিয়ে গেছে। গাজীপুর সাতব্রীজ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম টানু মল্লিক, চটকাবাড়িয়া গ্রামের বেল্টু, অ্যাড. কামরুল হাসান শাহিন, উপজেলার শুড়া গ্রামের এক ব্যাক্তির, শিশুকলি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মানোয়ার হোসেন, কুষ্টিয়া সদরের হরিনারায়নপুর এলাকার বিপ্লব, শিতলী গ্রামের আব্দুল খালেকসহ অনেকের মোটর সাইকেল চুরি হয়েছে। উপজেলা জুড়ে দিনে-রাতে চুরির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। আবার প্রশাসনের নাকের ডগায় উপজেলার চটকাবাড়িয়াতে জুয়ার আসর বসলেও প্রশাসন নির্বিকার। হরিণাকুন্ডুবাসির ধারণা উঠতি বয়স্ক মাদকসেবীদের এই চুরির ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা রয়েছে। উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা। কিন্তু তাতেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না।
বিষয়টি নিয়ে হরিণাকুন্ডু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুজ্জান জানান, চোর চক্রের বেশ কয়েকজনকে আটক করে চালান করা হয়েছে। দুইটি মোটরসাইকেল রিকভারী করা হয়েছে। চলতি মাসেই হোন্ডা চোরদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয়া হবে। চোরচক্রকে ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলেও তিনি জানান।