কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।।
পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা ৯ দিনের সরকারি ছুটিতে বিভিন্ন সরকারি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীরা যখন ঈদের ছুটিতে ব্যস্ত ঠিক তখনই কিশোরগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের জরুরি পরিসেবা চলমান রয়েছে।
কিশোরগঞ্জ ১৩টি উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সেবাকেন্দ্র সমূহের জরুরি সেবা চলমান থাকায় স্থানীয় জনসাধারণ বিশেষ আগ্রহের সাথে সকল সেবাসমুহ গ্রহণ করছেন।
কিশোরগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১৩টি উপজেলায় ঈদের ছুটিতে কিশোরগঞ্জ সদর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ডেলিভারি সংখ্যা – ২ টি, বিন্নাটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নরমাল ডেলিভারি ১ টি, যশোদল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নরমাল ডেলিভারি ১ টি, কটিয়াদী উপজেলা মুমুরদিয়া মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ০৬ টি, আচমিতা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ০২ টি, অষ্টগ্রাম দেওঘর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ডেলিভারি হয়েছে ১টি, বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র সংখ্যা ৩ টি, পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারোসিন্দুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ০১টি, ভৈরব উপজেলা শিবপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ডেলিভারী – ৪ টি, আগানগর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র -ডেলিভারী – ১ টি, কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র – ডেলিভারী – ৩ টি, সিদলা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র, হোসেনপুর ০১ টি, জাওয়ার FWC তাড়াইল এ ডেলিভারি হয়েছে ১ টি, রাউতি FWC তাড়াইল এ ডেলিভারি হয়েছে ১ টি, করিমগঞ্জ নেয়ামতপুর FWC তে প্রসব হয়েছে ১ টি।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ সেবাকেন্দ্রসমুহে নিরাপদ প্রসবসেবা, প্রসব পরবর্তী পরিবার পরিকল্পনা,গর্ভকালীন চেক-আপ ও গর্ভ-পরবর্তী চেক-আপ এর সকল প্রস্তুতি রয়েছে। সাধারণত সরকারি ছুটির দিনে জরুরি সেবা ছাড়া সকল বহিঃর্বিভাগীয় সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
কিশোরগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক মুহাম্মদ নাজমুল আনোয়ার অপু বলেন, ‘পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা কিশোরগঞ্জ জেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগীয় সকল সেবা কেন্দ্রে সেবা দান অব্যাহত রাখি। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রসব সেবা প্রদানের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপের ফলে ঈদের ছুটি কালীন ২৯ জন গর্ভবতী মা কে, আমাদের সেবাকেন্দ্রে নিরাপদ প্রসব সেবা দেয়া হয়েছে।’