পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি।।
ঢাকা থেকে রাজশাহীতে ফেরার পথে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মালপত্রবাহী কাভার্ড ভ্যান থেকে চু*রি হয়েছিল রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়দের আটটি লাগেজ। সেই চুরির কিনারা করল রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুঠিয়ার তারাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে চুরি যাওয়া মালপত্রের অধিকাংশ। গ্রেফতার করা হয়েছে পাঁচজনকে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৪ অক্টোবর) গভীর রাতে অভিযান শুরু হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ভোরে পুঠিয়ার তারাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করা হয়। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে খেলোয়াড়দের লাগেজ, পাসপোর্ট, আইফোন, ৩০০ মার্কিন ডলার, ক্রীড়াসামগ্রী, পোশাক, দামি পারফিউম এবং অন্যান্য মালপত্র। এ ছাড়া চুরির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামও উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাজশাহীর পুলিশ সুপার (এসপি) মামুন অর রশিদ জানিয়েছেন, "আটক পাঁচজনই পেশাদার অপরাধী বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। তাঁদের বাড়ি রাজশাহীর পুঠিয়া ও চারঘাট এলাকায়। চলন্ত কাভার্ড ভ্যানের দরজা ভেঙে কিংবা কৌশলে খুলে মালপত্র চুরিতে তাঁরা অভ্যস্ত বলে পুলিশের দাবি। সেই কৌশলেই বিসিবির কাভার্ড ভ্যান থেকে ক্রিকেটারদের লাগেজ সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ।"
রাজশাহী বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মোজাদ্দেদ জামানী সুমন জানান, "লাগেজ উদ্ধারের খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে তাঁরা জেলা ডিবি কার্যালয়ে যান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, আটক ব্যক্তিদের কেউ কেউ ক্রিকেটারদের স্পোর্টস ট্রাউজার ও পোশাক পরে রয়েছেন। আবার লাগেজে থাকা দামি পারফিউমও কেউ কেউ ব্যবহার করেছিলেন বলে তিনি জানান।"
তবে চুরির ঘটনায় সব মালপত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এক ক্রিকেটারের ব্যাগে থাকা নগদ তিন লক্ষ টাকা এখনও নিখোঁজ। ওই টাকা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে ডিবি পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ ঘিরে। মিরপুরে খুলনা বিভাগের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলে রাজশাহী বিভাগের ক্রিকেটাররা বুধবার সকালে উড়োজাহাজে রাজশাহীতে ফেরেন। অন্য দিকে, বিসিবির একটি কাভার্ড ভ্যানে তাঁদের ৫৪টি লাগেজ আনা হচ্ছিল। রাজশাহীর হোটেলে পৌঁছে মালপত্র নামানোর সময় দেখা যায়, আটটি লাগেজ উধাও।
এর পর ক্রিকেটার এস এম মেহেরাব হোসেন রাজপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে রাজশাহী ও নাটোর জেলা পুলিশ। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই পুঠিয়ার তারাপুরে ডিবির অভিযান এবং মালপত্র উদ্ধারের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া মালপত্রের তালিকা ও বাকি নগদ টাকা উদ্ধারের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। #
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি: প্রফেসর নূর মো. রহমত উল্লাহ। নির্বাহী সম্পাদকঃ মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মো. ওমর ফারুক, উপ-সম্পাদক : মুন্সী নাজমুল হোসেন
ইমেইল: mdibrahimkhalil494@gmail.com মোবাইল: ০১৭৫৪-২২২৫০২
অফিস : শ্রীমদ্দি মোড়ের বাজার, হোমনা, কুমিল্লা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো. ইব্রাহিম খলিল কর্তৃক কুমিল্লা জেলা থেকে সম্পাদিত ও প্রকাশিত।