হোমনায় উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর

মো. ইব্রাহিম খলিল, হোমনা, কুমিল্লা >>
কুমিল্লার হোমনায় উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর । আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসক হোমনায় পৌঁছালে তাকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় । শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে উপজেলার আছাদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরার উদ্বোধন, আমার বাড়ি আমার খামার, কমিউনিটি ক্লিনিক, উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, ভূমি অফিস ও ডিজিটাল সেন্টারসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।পরিদর্শন শেষে কলাগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপন করেন । এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান রেহানা বেগম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপ্তি চাকমা, সহকারী কমিশনার(ভূমি) তানিয়া ভূঁইয়া, ওসি সৈয়দ মো. ফজলে রাব্বী, পৌর মেয়র অ্যাড. মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্ম কর্তইা(উএইচও) ডাঃ মো. সরফরাজ হোসেন খান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কাজী রুহুল আমিন, উপজেলা শিক্ষাকর্মকর্তা মাহমুদা বেগম, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন, পিআইও নাহিদ আহাম্মদ জাকির, ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন পাঠান, প্রধান শিক্ষক জলি আক্তার ও আব্দুল লতিফসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। পরে ভাষানিয়া ইউনিয়নের ওমরাবাদ গ্রামের আলম মিয়ার নিকট প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ তাকে বুঝিয়ে দিয়ে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ প্রকল্পের আরো ৪ জনকে এ গৃহনির্মাণ করে দেয়া হয়েছে । তারা হলেন মাথাভাঙ্গা ইউনিয়নের মহিষমারী গ্রামের খুকি আক্তার, চান্দেরচর ইউনিয়নের শোভারামপুর গ্রামের মো. ইমরান হোসেন, আসাদপুর ইউনিয়নের পাথালিয়াকান্দি গ্রামের লিপি আক্তার ও আসমা আক্তার।
উপজেল প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর গ্রাম হবে শহর। এ প্রকল্পের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্তৃক গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় গৃহহীনদের জন্য দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ প্রকল্পে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৫টি ঘরের জন্য ১২ লাখ ৯২ হাজার-৬৬৫টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয় । প্রতিটি ঘর নির্মাণ খরচ হিসেবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৫৩১ টাকা।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদ আহম্মেদ জাকির জানান, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জন্য বরাদ্দকৃত ৫টি ঘর ঘরের মালিকদেরকে বুঝিয়ে দিয়েছি ।এতে করে তাদের জীবন যাত্রার মান বদলে যাবে এবং তাদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটবে । আশা করছি , এবছর আরও কয়েটি ঘর বরাদ্দ পাবো । তবে এ টাকায় ঘর নির্মাণ করা যাচ্ছেনা না । বরাদ্দ বৃদ্ধির জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে । জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
%d bloggers like this: