সর্বোচ্চ প্রশংসার দাবিদার সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম আব্দুস সোবহান

সুন্দরগঞ্জ থানার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম আব্দুস সোবহান

যারা গালি হজম করতে পারেন না; পুলিশে আসবেন না। যারা প্রশংসা পছন্দ করেন; পুলিশ ভিন্ন অন্য চাকরি খুঁজুন। পুলিসিং পৃথিবীর সবচেয়ে প্রশংসাহীন পেশা। এই সব উক্তি মিথ্যা প্রমাণ করে সর্বোচ্চ প্রসংসনীয় পর্যায়ে পৌঁছে দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন বর্তমানে অবস্থানরত সুন্দরগঞ্জ থানার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম আব্দুস সোবহান অন্যান্য অনেকের মতে তিনি বলেন,”পুলিশেই হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম মহতী পেশা”।

অনলাইন ডেস্ক >>

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় যোগদান করেই বর্তমানে অবস্থানরত থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম আব্দুস সোবহান অত্র উপজেলার সকল নাগরিকদের সাংবাদিকদের মাধ্যমে সুন্দর, সাবলীল ভাষায় বলেছিলেন
পুলিশ জনগণের বন্ধু। জনগণের সেবা করাই পুলিশের ধর্ম।সেই সাথে সঠিক সময়ে সঠিক দায়িত্ব পালনেই ইবাদত।”

আমি (ওসি) মনে,প্রাণে বিশ্বাস করি আমার উপর যে অরর্পিত দায়িত্ব আছে তা যথাযথ পালন করাই আমার কাছে ইবাদত আর সেই দায়িত্বের মধ্যে দিয়ে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি করে দেশ ও দশের জন্য কিছু করা সম্ভব।
আজ অত্র এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে থানায় ওসির দায়িত্ব পালনকালে তার চৌকস বুদ্ধিমত্তা ও সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তের কারণেই নিঃসন্দেহে সর্বোচ্চ প্রসংসার দাবিদার থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম আব্দুস সোবহান।

সন্ত্রাস, উগ্রবাদ এবং অপরাধের হুমকি থেকে এই সুন্দরগঞ্জে সাধারণ মানুষকে যে ভাবে সুরক্ষিত ও নিরাপদে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন বিগত দুটো ঈদের এবং বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে তাঁর নেয়া বিভিন্ন কর্মসূচির ও পদক্ষেপের চিত্র কখনো ভোলার মত নয়।
তিনি যোগদান করার পর বিগত দুটো নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল হিসেবে সাম্প্রতিক শেষ হয়ে যাওয়া কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা সহিংসতা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবেই সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় মঙ্গলবার (১৮ জুন)অনুষ্ঠিতব্য শেষ ধাপে ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সুন্দরভাবে সাফল্যমন্ডিত করতে যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে
সকাল থেকেই প্রতিটি কেন্দ্রে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পেরেছেন তা কখনোই ভোলার মত নয়।

একই সাথে তাঁর কৃতিত্বের ফলস্বরূপ যে বিষয়গুলোর কারণে অত্র এলাকাবাসী তাঁর প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে আসছে আর তাঁর যে সব কথা না বললেই নয়,
“লুকিয়ে থাকার দিন শেষ,
মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ”গড়ার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাল্য বিবাহ এবং যেকোন ধরণের জুয়া সহ মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে যে কোন দলের বা ক্ষমতাসীন ব্যক্তি যদি সে মাদক কারবারি হয় তবে তার সাথে কোন ভাবেই আপোষ করেননি সেই সাথে বাল্য বিবাহের সুপারিশ ও জুয়ারিদের ছাড়ানোর ক্ষেত্রে কোন তদবিরেও সামান্য পরিমাণ ছাড় দেয়নি এই পুলিশ কর্মকর্তা যার ফলশ্রুতিতে আজ অত্র এলাকা শতভাগ মাদক মুক্ত না হলেও প্রায় নব্বই ভাগেরও বেশি মাদক মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে,এবং অভিযান চলমান রয়েছে। এখন অনেকটাই গর্বের সাথে বলা যায় বর্তমানে বাল্য বিবাহের অভিশাপ থেকে মুক্ত আমাদের এলাকার সমাজ ব্যবস্থা।

এই বিরল অর্জনকারী বর্তমান “থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)” সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় যোগদানে অত্র এলাকার সাধারণ জনগন আনন্দিত,অভিভূত।আমরা সব সময় এটাই প্রত্যাশা করি অতীতের মত বর্তমানেও যেন
আপনার কর্মদক্ষতা ও নেক দৃষ্টিতে ‘সুন্দরগঞ্জ’র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রেও বিশেষ অবদান এবং কৃতিত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে সাফল্য অর্জন অব্যহত থাকে।
পরিশেষে আপনার কাছে আমাদের অনেক আশা, আকাঙ্খা মনের মধ্যে বাসা বাধেঁ আমরা চাই আপনার আওতায় থাকা পুলিশ তদন্তকেন্দ্র গুলো যেন দালালমুক্ত সহ সাধারন জনগনের সেবা নিশ্চিত করা অব্যাহত থাকে। আমরা সর্বদা মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি মানুষের কল্যাণের জন্য তিনি যেন আপনাকে নেক হায়াত দান করেন।
(অসমাপ্ত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
%d bloggers like this: