কালীগঞ্জ বারবাজারে সাত দিনে ১১ দোকানে দুধর্ষ চুরি

প্রতিকী ছবি


ঝিনাইদহ প্রতিনিধি :
ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ বারবাজারে সাত দিনে ১১ দোকানে দুধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় চোরেরা দোকানের ভেন্টিলেটার ও শাটার ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে নগদ টাকা, মোবাইল সেট, মোবাইল রিচার্জ কার্ড, মটর পাম্প, কাপড়, হার্ডওয়্যার ও ইলেক্সটনিক্স মালামাল ও নগদ টাকাসহ প্রায় ১০ লাধিক টাকার মালামাল চুরি করে নেয় চোরেরা।

স্থানীয় ব্যাবসায়ীরা জানায়, গত ১৫ জানুয়ারি (রাতে ইকবালের মোবাইল দোকান বিএল স্মার্ট জোনের শাটার ভেঙ্গে চোরেরা নগদ ১৫ হাজার টাকা ও ৬০টি বিভিন্ন ধরনের মোবাইলের মেমরি কার্ড ও রিচার্জ কার্ড নিয়ে যায়। যার অনুমানিক মূল্য ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ১৭ জানুয়ারি দিবাগত রাতে হাসান আলীর রহমানিয়া গার্মেন্টস এর পেছনের দরজা ভেঙ্গে নগদ প্রায় ৫৬ হাজার টাকা ও শীতের পোশাক নিয়ে যায়। একই তারিখে সাধন দত্তের দত্ত ষ্টোর মুদিখানা দোকানের পেছনের গেট ভেঙ্গে নগদ টাকা ও সিগারেটসহ প্রায় ২ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। একই রাতে মামুন এর ঢাকা গ্লাস হাউজের শাটার ভেঙ্গে ৪৫ হাজার নগদ টাকা নিয়ে যায়। সাফাত হোসেনের অলিফ এন্টার প্রাইজ নামের দুই দোকানের ভেন্টিলেটর ভেঙ্গে পানির মটর ও নগদ টাকাসহ প্রায় ১লাখ ১০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। একই তারিখে পলাশ হোসেনের তাজমহল গার্মেন্টস এর শাটার ভাঙলেও কিছু নিতে পারেনি। ১৯ জানুয়ারি রাতে মিরাজ হোসেনের খন্দকার টেলিকমের ভেন্টিলেটার ভেঙ্গে ১১০পিস মোবাইল সেট ,মেমরি কার্ড ও রিচার্জ কার্ডসহ প্রায় তিন লাখ টাকার মাল নিয়ে যায়। একইভাবে একই রাতে পাশের জ্যোতি টেলিকম, জুয়েল হার্ডওয়ার, উনিশে লাইব্রেরি ও মাইন পেপার হাউজ নামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও চুরি হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ১০ হাজার টাকা হবে বলে জানা গেছে।

রহমানিয়া গার্মেন্টসের মালিক হাসান আলী জানান, এই ঘটনার পর আমরা সবাই ফাঁড়িতে গিয়েছিলাম। ফাঁড়ির আইসি বললেন, তিন দিন পর আপনাদের নিয়ে বসবো। এই তিন দিন কষ্টকরে পাহারা দেন।

জানতে চাইলে বারবাজার ক্যাম্পের আইসি সিহাব উদ্দীন বলেন, এই বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান,মেম্বার ও ব্যাবসায়ীদের নিয়ে আমরা বসব।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার-ইন-চার্জ(ওসি) ইউনুচ আলী বলেন, আগে চুরি হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। তবে, গত শনিবার রাতে চুরির ঘটনা শুনে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সুরক্ষায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, আগে যারা নাইট গার্ড ছিল তাদের সব বাদ দিয়ে এখন মালিকরা নিজেরাই পাহারা দিচ্ছে এবং রাতে পুলিশও তাদের সহযোগিতা করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
%d bloggers like this: