অপহৃত কৃষ্ণা রানীকে এক মাসেও উদ্ধার করতে পারে নি পুলিশ!

আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি>>
অপহণের প্রায় এক মাসেও আজ বুধবার(২৫ সেপ্টেম্বর) এ রিপোর্ট লেখা (সকাল) পর্যন্ত উদ্ধার করতে পারে নি অপহৃত কৃষ্ণা রানীকে নীলফামারী পুলিশ। গত ২৭শে আগস্ট রাতে নীলফামারী সদরের চড়াইখোলা ইউনিয়নের নতিব চাপড়া গ্রামের বেঙমারী সুনিল চন্দ্র রায়ের মেয়ে কৃষ্ণা রানী নিজ বাড়ি থেকে অপহৃত হন।সে চলতি বছর এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া ছাত্রী।
এ ব্যাপারে গত ৭ সেপ্টেম্বর প্রতিবেশি নুর ইসলামের ছেলে সাগর মোল্লাসহ পাঁচজনকে আসামী করে নীলফামারী থানায় একটি মামলা করেছেন মেয়েটির বাবা। মামলার পর থেকে নীলফামারী সদর থানা পুলিশ এখনো ছাত্রী মেয়েটিকে উদ্ধার কিংবা অপহরণকারীকে গ্রেফতার করতে পারে নি। এনিয়ে উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে ছাত্রীটির পরিবারের।
মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশি হওয়ার সুবাদে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিতো সাগর। বিষয়টি ছেলের অবিভাবককে বলাও হয়। কিন্তু তারপরও উত্ত্যক্ত করতো তাকে। মেয়ের বাবা সুনিল চন্দ্র অভিযোগ করে বলেন, ২৭আগস্ট রাতে আমার মেয়ে টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে গেলে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা সাগর মোল্লাসহ আরো কয়েকজন আমার মেয়ের মুখ চেপে ধরে অটোরিক্সা যোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এনিয়ে ওই পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হলে মেয়েকে ফেরত দেয়া হবে বলে টালবাহানা করতে থাকে। পরে মেয়েকে না পেয়ে বাধ্য হয়ে মামলা করি। মামলার পর থেকে আমাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকী দিচ্ছে আসামী পক্ষের লোকেরা। আমি চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছি।

চড়াইখোলা ইউনিয়নের আট নং ওয়ার্ড সদস্য মিজানুর রহমান মিঠু বলেন, বিষয়টি শুনে দুই পক্ষের সাথে কথা বলেছি। ছেলে পক্ষের লোকেরা পালিয়ে আছে। যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। ছেলে ও তার অবিভাবকেরাও আসামী অপহরণ মামলায় রয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে নীলফামারী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোমিনুল ইসলাম মোমিন বলেন, মামলা হওয়ার পর থেকে আমরা তৎপরতা শুরু করে দেই। তাদের অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার জন্য কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুত অপহরণকারীকে গ্রেফতারসহ অপহৃত মেয়েটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
%d bloggers like this: